চট্টগ্রামে গ্যাস লাইন বিস্ফোরণে নিহত ৭। আহত অন্তত ১৯ জন! মৃতের সংখ্যা বাড়ার আশঙ্কা। চলছে উদ্ধার কাজ।

চট্টগ্রামের পাথরঘাটা এলাকায় গ্যাসের পাইপলাইন বিস্ফোরণে ভবন ধসে সাতজন নিহত হয়েছেন। এ সময় দগ্ধ হয়েছেন অন্তত ৬ জন।অদ্য রোববার সকাল ৯টার দিকে পাথরঘাটা এলাকার ব্রিকফিল্ড রোডে এ বিস্ফোরণের ঘটনা ঘটে। তাৎক্ষণিকভাবে হতাহতদের পরিচয় জানা যায়নি।এদিকে এ ঘটনার পর থেকে ব্রিকফিল্ড রোডে যান চলাচল বন্ধ রয়েছে।
সিএমপির দক্ষিণের ডিসি মেহেদি হাসান বলেন, ৯৯৯ এ ফোন দিয়ে এক ব্যক্তি আমাদের পাথরঘাটা ব্রিকফিল্ড রোডের কুঞ্জমনি ভবনে বিস্ফোরণের ঘটনাটি জানান।এ ঘটনায় ১৯ জন দগ্ধ হন। তাদের উদ্ধার করে চট্টগ্রাম মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে (চমেক) আনা হলে দায়িত্বরত চিকিৎসক সাতজনকে মৃত বলে ঘোষণা করেন। অন্যরা সেখানেই চিকিৎসাধীন। পাঁচ তলা ওই ভবনের চতুর্থ তলার বাসিন্দা স্কুলশিক্ষক অঞ্জন কান্তি দাশ জানান, সকালে বিকট বিস্ফোরণের সঙ্গে পুরো বাড়ি কেঁপে ওঠে। তার বাসার জানালার কাচ ভেঙে যায় এবং অনেক জিনিসপত্র মেঝেতে পড়ে যায়।বিস্ফোরণের পর ভবনের সীমানা প্রাচীর ভেঙে রাস্তায় মানুষের ওপর পড়ে।পিকআপ ভ্যানে বেশ কয়েকজনকে হাসপাতালে পাঠানো হয়। তাদের মধ্যে পথচারীও ছিলেন।

কোতোয়ালি থানার ওসি মো. মহসিন জানান, পাথরঘাটা ব্রিকফিল্ড রোডের কুঞ্জমনি ভবনে গ্যাসের পাইপলাইন বিস্ফোরণে ভবনের একাংশ ভেঙে গেছে।

এতে সাতজন মারা গেছেন এবং দগ্ধ হয়েছেন অন্তত ১৯ জন। দগ্ধদের উদ্ধার করে চট্টগ্রাম মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে (চমেক) ভর্তি করা হয়েছে।

চট্টগ্রাম মেডিকেল কলেজ পুলিশ ফাঁড়ির পরিদর্শক জহিরুল ইসলাম জানান, গুরুতর দগ্ধ সাতজনকে হাসপাতালে আনা হয়। পরে তাদের মৃত ঘোষণা করেন সেখানে দায়িত্বরত চিকিৎসক। অন্য ৬ জন হাসপাতালে ভর্তি আছেন।

ঘটনাস্থলে দায়িত্বরত চট্টগ্রাম ফায়ার সার্ভিস অ্যান্ড সিভিল ডিফেন্সের উপসহকারী পরিচালক পূর্ণচন্দ্র মুৎসুদ্দী জানান, বড়ুয়া বিল্ডিংয়ের নিচতলায় সীমানা প্রাচীরের পাশেই হয়ত গ্যাস রাইজারে কোনো সমস্যা ছিল, লিকেজ থেকে গ্যাস বের হয়ে জমে গিয়েছিল।

সকালে বাসায় রান্না করার সময় বা বাইরে থেকে কারও ফেলা সিগারেটের আগুন থেকে এ বিস্ফোরণ হতে পারে বলে জানান অনেকে। তবে তদন্তে শেষে আসল ঘটনা বের হয়ে আসবে বলে প্রশাসনের পক্ষ হতে বলা হয়েছে।

স্বাধীন কন্ঠ/ রবিউল/ চট্টগ্রাম।

Tags:

এ বিভাগের আরো কিছু সংবাদ

মন্তব্য

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *