“হ্যালো ওসি” ভালো হবার কার্যকরী ফর্মুলা!

মোঃ রবিউল হোসেন (সম্রাট)-দেশে যখন অনৈতিক ঘটনা ঘটে থাকে। রাস্তায় যখন পথচারীরা চলাফেরা করতে স্বাচ্ছন্দ্যবোধ করে না ।স্কুল বা কলেজ ও বিশ্ববিদ্যালয় পড়ুয়া ছাত্রীরা যখন ইভটিজিংয়ের শিকার হয়। ইয়াবা,মদ,ফেনসিডিল বা মাদকাসক্তে যখন যুবসমাজ ধ্বংসের মুখে পতিত হয় তখন তাদেরকে ভালো হতে এবং সুপথে ফেরাতে প্রচেষ্টা চালিয়ে যাচ্ছেন চট্টগ্রামের কোতোয়ালি থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা জনাব মোঃ মহসিন। “হ্যালো ওসি”
ভালো হবার কার্যকরী ফর্মুলা! এ ফর্মূলা এখন ভালো হওয়ার ও সুপথে ফেরানোর ঔষধ। এটি এমন কোন কঠিন কিছু না। কার্যকরী এ ফর্মুলায় ভয়ের ও কিছু নেই।কেউ যদি সু-পথে ফিরতে চাই!কেউ যদি ভালো পথে আসতে চায়! তাকে তো বিপদ থেকে মুক্ত করা হবেই সাথে সে মানুষটিকে তার যোগ্যতা অনুযায়ী কর্মসংস্থান করা হবে বলে আশ্বাস দিয়েছেন কোতোয়ালি থানার এ ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা।

চট্টগ্রামে “হ্যালো ওসি”প্রবক্তা কোতোয়ালি থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা জনাব মোহাম্মদ মহসিনের এ পদক্ষেপ এখন পুরো বাংলাদেশ সহ পৃথিবীতে আইন শৃঙ্খলা বাহিনীর নজর কেড়েছে। হ্যালো ওসি এখন বিশ্বজুড়ে সমাদৃত। অনেক দেশে হ্যালো ওসি প্রবর্তন করে অপরাধ জগতের মানুষদের সু-পথে ফিরিয়ে আনতে চেষ্টা করা হচ্ছে। জনাব মোঃ মহসিন যে কার্যকরী ফর্মুলা এনেছেন তা যেমন প্রশংসনীয় হয়েছে তেমনি অনেকে সুপথ বেছে নিচ্ছে। অনেকেই ইতিমধ্যে সুন্দর জীবনযাপন করছেন। মায়ের বুক থেকে যে ছেলে অপরাধ জগতে গিয়েছিল সে ছেলেটা আবার ভালো হয়ে মায়ের বুকে ফিরে এসেছে।যে ছেলেটি ইভটিজিং করে মেয়েদের নাজেহাল করত আজ সেই ছেলেটি ক্ষমা চেয়ে কখনো মেয়েদেরকে উত্তপ্ত করবে না বলে শপথ করে হ্যালো ওসি মাধ্যমেই জানিয়েছেন। যুব সমাজ আজ হ্যালো ওসির কারণে সুপথে ফিরতে পারছে। চট্টগ্রামের শুধু একটি থানা না বাংলাদেশের প্রতিটি থানায় হ্যালো ওসির কার্যক্রম চালানো উচিত। এ কার্যক্রম যদি চালানো যায় তাহলে অপরাধ জগতের মুখশ যেমন উন্মোচিত হবে তেমনি অপরাধীরা চেষ্টা করবে সুপথে ফিরতে। এটা ভালো হওয়ার কার্যকরী একটি মেডিসিন।অতীতে পুলিশের প্রতি মানুষের আস্থা ছিল না এটায় মনে করতো জনসাধারন। বর্তমানে হ্যালো ওসির এ কার্যকরী ফর্মুলা কারণে পুলিশের প্রতি মানুষের আস্থা যেমন বেড়েছে তেমনি জনগণ এবং পুলিশের মধ্যে সৃষ্টি হয়েছে সেতু বন্ধন।আগে মানুষ থানার সামনে আসতো না। জনসাধারণ পুলিশকে ভয় পেত! অথচ এখন হ্যালো ওসির কারণেই মানুষের মধ্যে আস্থা বেড়ে গিয়েছে এবং পুলিশের সামনে আসতে এবং পুলিশকে সকল সমস্যার কথা বলতে সাহস পাচ্ছে নির্দিদ্বায়।

ভয়-ভীতি পরিহার করে এখন আস্থার জায়গা থেকে পুলিশকে বন্ধু মনে করছে জনসাধারণ এ হ্যালো ওসির কারনেই।চট্টগ্রামের কোতোয়ালি থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা জনাব মোঃ মহসিনের এ কার্যক্রমের প্রশংসনীয় দৃষ্টান্ত স্থাপনের পাশাপাশি তিনি বাংলাদেশের মানুষকে দেখিয়ে দিয়েছেন পুলিশ জনগণের সেবক। পুলিশ জনগণের বন্ধু। অপরাধীদের ভালো হওয়ার এটি একটি কার্যকরী ফর্মুলা। অন্তরের অন্তস্থল থেকে চট্টগ্রাম কোতোয়ালি থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা জনাব মোঃ মহসিন কে অসংখ্য, অসংখ্য ধন্যবাদ। অপরাধ জগতের মানুষকে সুপথে ফিরিয়ে আনতে এবং মানুষের মধ্যে সচেতনতা ফিরাতে এ হ্যালো ওসির কার্যক্রম আজীবন থাকবে এটায় কামনা করি। ওসি সাহেবের এ “হ্যালো ওসি” তার অক্লান্ত পরিশ্রমের মাধ্যমে একটি থানাকে পরিপূর্ণ অপরাধ জগত থেকে মুক্ত করতে নিজের জীবনের ভয় ভীতির কাছ হার না মেনে ও চাপমুক্ত থেকে আপ্রাণ চেষ্টা চালিয়ে যাচ্ছেন। আশা করি সহসাই বাংলাদেশের প্রতিটি থানার হ্যালো ওসির কার্যক্রম গুলো তাদের থানায়,থানায় কার্যকর করে অপরাধীদের সুপথে ফিরিয়ে আনবেন বলে বিশ্বাস করি।।

স্বাধীন কন্ঠ / মোঃ রবিউল হোসেন।

Categories:মতামত
Tags:

এ বিভাগের আরো কিছু সংবাদ

মন্তব্য

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *