মন্ত্রী হলে পাল্টে দেবেন চট্টগ্রামকে।

এ. বি. এম. ফজলে করিম চৌধুরী এমপি (জন্ম: ৬ নভেম্বর ১৯৫৪) হলেন বাংলাদেশের একজন প্রখ্যাত রাজনীতিবিদ ও ২৮৩ নং (চট্টগ্রাম-৬) আসন থেকে নির্বাচিত জাতীয় সংসদ সদস্য। তিনি ২০১৪ সালের ৫ জানুয়ারি তারিখে অনুষ্ঠিত দশম জাতীয় সংসদ নির্বাচনে একজন “সংসদ সদস্য” হিসাবে নির্বাচিত হন। এ. বি. এম. ফজলে করিম চৌধুরী বাবা আলহাজ্ব এ.কে.এম ফজলুল কবির চৌধুরী ছিলেন একজন রাজনীতিবিদ। তিনি ছিলেন সাবেক পূর্ব পাকিস্তান প্রাদেশিক পরিষদের বিরোধীদলীয় নেতা, প্রাদেশিক আইন পরিষদের চেয়ারম্যান এবং সাবেক সংসদ সদস্য। ছিলেন মুসলিম লীগের ডাক সাইটে নেতা। মরহুম আলহাজ্ব এ.কে.এম ফজলুল কবির চৌধুরী তিনি চট্টগ্রাম পোর্ট-ট্রাষ্টের ভাইস চেয়ারম্যান, মেরিন এন্ড মার্কেন্টাইল একাডেমীর গভর্নর ও চট্টগ্রাম ডিস্ট্রিক কাউন্সিলের কাউন্সিলর ছিলেন। তিনি সক্রিয় রাজনীতি ছাড়াও বহু জনহিতকর কাজ ও সেবামূলক কর্মকান্ডের সঙ্গে জড়িত ছিলেন। এ. বি. এম. ফজলে করিম চৌধুরীর মন্ত্রী হওয়া দরকার।রাউজানকে তিনি যেভাবে গত দশ বছরে উন্নয়নের মডেল উপজেলায় পরিণত করেছেন, মন্ত্রী হলে তিনি আমাদের পুরো চট্টগ্রামকে পাল্টে দেবেন।

চট্টগ্রাম-৬ (রাউজান) আসন থেকে টানা চারবার সংসদ সদস্য নির্বাচিত হওয়া এবিএম ফজলে করিম চৌধুরীর ছেলে ফারাজ করিম চৌধুরীর ‘বাবার মন্ত্রিত্ব নিয়ে আমার কিছু কথা’ শীর্ষক এক ফেসবুক স্ট্যাটাসে এভাবেই নিজের মন্তব্য লিখেছেন শ্রী আবীর বিশ্বাস অমিত নামের এক ব্যক্তি।

শুধু আবীর বিশ্বাস নয়, বিভিন্ন স্ট্যাটাস এ লাইক পড়েছে লাখের কাছাকাছি। ফজলে করিমকে মন্ত্রী করার দাবি জানিয়ে মন্তব্য লিখেছেন ১ হাজার ২০০ এর বেশি মানুষ। এদের অনেকেই চট্টগ্রামের হলেও ফজলে করিমকে মন্ত্রী করার দাবি জানিয়ে মন্তব্য এসেছে ঢাকা, রাজশাহী, সিলেটসহ দেশের বিভিন্ন এলাকার মানুষের কাছ থেকেও।

কামাল হোসেন নামে এক ব্যক্তি লিখেছেন, ‘আমি রাউজানের সন্তান নই, কর্মজীবনে 8 বছর সেখানে ছিলাম। কোন রাজনীতি করি না। কিন্তু আমি মনে করি এদেশের প্রতিজন এমপি ফজলে করিমের মতো হলে পুরো বাংলাদেশ ১০ বছরে সিংগাপুর হবে। বিশেষ করে ওনার সময়জ্ঞান এবং মাঠ পর্যায়ে ও সামাজিক কার্যক্রমে অংশগ্রহণ। পুরো রাউজান পিংক রং, সকল গাছে সাদা রং এবং বিদ্যুতায়নের কথা না বললে নয়।’

এস আই মিল্লাত নামে এক তরুণ লিখেছেন, ‘আমি রাজনীতি করি না, বুঝিও না। কিন্তু নেতা কে কেমন খবর রাখি, তাতে ফজলে করিমের প্রশংসা অনেকবার করেছি। যদিও আমি রাউজানের নই, আমি অনেক দূরের মানুষ। কখনও ওনার ছায়া মাড়াইনি, তারপরও আমি প্রশংসা করছি।’

আব্দুল্লাহ আল রোমান লিখেছেন, ‘রেলে সারা বছর যে লোকসান হয়, আমি নিশ্চিত এবিএম ফজলে করিম এমপি মহোদয়কে যদি রেলমন্ত্রী বানানো হয়, তাহলে পার্শ্ববর্তী দেশ ভারতের মতোই রেলপথ হবে আমাদের দেশের অন্যতম প্রধান আয়ের খাত।

’রায়হান আর চৌধুরী লিখেছেন, ‘সিআরবিতে বিউটিফিকেশান কাজ তদারকির সময় মাননীয় এমপি সাহেব সময়ের আগেই আসতেন। উনার তদারকি শেষ হয়ে যেতো, তখনও রেলের কর্মকর্তা অনেকেই এসে উপস্থিত হতে পারতেন না। উনার দেখার চোখ দুর্দান্ত, আধুনিক। মাত্র ৩/৪ কোটি টাকায় যিনি সিআরবিকে আধুনিকভাবে সাজাতে পারেন, এমন পরিশ্রমী একজন এমপি মন্ত্রী হলে অসাধারণ কিছু করবেন। কোনও সন্দেহ নেই।’

সাকিবুল ইসলাম লিখেছেন, ‘উনার প্রত্যেকটি কাজ নিখুঁত এবং স্বয়ংসম্পূর্ণ। একজন মেডিকেল স্টুডেন্ট হিসেবে আমি মনে করি, প্রধানমন্ত্রী যেন উনাকে স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয়ের মন্ত্রী অথবা স্থায়ী কমিটির সভাপতি হিসেবে দায়িত্ব পালন করার সুযোগ দেন। স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয়ে উনার মতো একজন মানুষের খুব বেশি প্রয়োজন।’

আব্দুল মাজিদ রাজু লিখেছেন, ‘আমার বাড়ি সিলেট, উনার অনেক সুনাম আমরা শুনি। যোগ্য ব্যক্তিকে মন্ত্রীত্ব দেওয়াটা উচিত। ভাই আপনার জন্য শুভ কামনা রইলো।’

অমিত বড়ুয়া লিখেছেন, ‘আমি মনে করি শ্রদ্ধেয় এমপি মহোদয়কে শুধু রাউজান নয়, সমগ্র চট্টগ্রামের উন্নয়নের জন্য কার্যকরী একটি মন্ত্রণালয়ের মন্ত্রী হিসেবে দায়িত্ব দেওয়া এখন সময়ের দাবিতে পরিণত হয়েছে।’

জি সৈকত শর্মা লিখেছেন, ‘এবিএম ফজলে করিম চৌধুরী সময়কে সবচেয়ে বেশি গুরুত্ব দেন। এই কথাটি একদম সত্যি এবং কথাটির পক্ষে আমি ভোট করছি। ওনার এলাকায় পুলিশ প্রটেকশনের দায়িত্বে ছিলাম আমি বেশ কিছুদিন। আমাদের রাউজান হাইওয়ে পুলিশের প্রটেকশন টিমকে উনি আসা-যাওয়ার যে সময়টি ডিক্লেয়ার করতেন, সে নির্ধারিত সময়ের আগেই আমরা ওনাকে রিসিভ করতাম এবং বিদায় দিতাম। এমন ব্যক্তি মন্ত্রীত্ব পেলে রাউজান তথা সারাদেশের উন্নয়ন হবে নিশ্চিত।’

ছেলের ‘ক্লিন রাউজান’ ক্যাম্পেইনে সাড়া দিলেন বাবা ফজলে করিম। ‘বাবা, তোমার মঞ্চের পেছনে কিছু ময়লা জমে আছে। তুমি যদি ক্লিন রাউজান ক্যাম্পেইনের অংশ হিসেবে ওই জায়গাটা পরিষ্কার করে দিতে।’ ফারাজ করিম চৌধুরীর কথা শেষ হওয়ার আগেই সমাবেশে উপস্থিত হাজারো মানুষ হাততালি দিতে শুরু করেন। ছেলের আহ্বানে সাড়া দিলেন তিনবারের নির্বাচিত সংসদ সদস্য, রাউজান আসনে এবারও আওয়ামী লীগের প্রার্থী এবিএম ফজলে করিম চৌধুরী। নারকেল পাতার শলার ঝাড়ু হাতে সেই ময়লা পরিষ্কার করলেন নিজহাতে। সেই গল্প সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম আর লোকমুখে ছড়িয়ে পড়ে রাউজানের আনাচে-কানাচে। মুহূর্তে হাজারো ছবি ‘ক্লিন রাউজান ক্যাম্পেইন’ হ্যাশট্যাগ হতে থাকে।

অনুভূতি জানতে চাইলে এ তরুণ বলেন, ‘শুধু ছাত্রলীগ বা অঙ্গসংগঠনের নেতা-কর্মীরা নয়, শত শত শিক্ষার্থী ক্লিন রাউজান ক্যাম্পেইনে অংশ নিয়েছে। অনেক শিশু ও বৃদ্ধরাও এ কর্মসূচিতে অংশ নিয়েছেন। সরকারের ডিজিটাল সুবিধাগুলো ব্যবহার করে আমরা সফলভাবে এ কর্মসূচি করতে পেরেছি। আমাদের নির্দেশনা ছিল প্রত্যেকে নিজ নিজ বাড়ি, বাসা, ব্যবসা প্রতিষ্ঠান পরিষ্কারের আগের একটি ছবি, পরিষ্কার করার সময়কার ছবি এবং পরিষ্কারের পরের ছবি হ্যাশট্যাগ দিয়ে ফেসবুকে আপলোড করবে। হয়েছেও তাই। নির্ধারিত সময়ের মধ্যে এক হাজারের বেশি ফেসবুক ব্যবহারকারী ছবি আপলোড করেছেন।

তিনি বলেন, তরুণদের মধ্যে সামাজিক দায়বদ্ধতা সৃষ্টি এবং দেশপ্রেম জাগ্রত করতেই ক্লিন রাউজান ক্যাম্পেইন করেছি আমরা। কোনো ধরনের স্টান্টবাজিতে আমি নেই। আমি বিশ্বাস করি, আমরা প্রত্যেকে যদি সচেতন হই নিজ নিজ জায়গা পরিষ্কার রাখি তবে পুরো দেশটা সুন্দর হবে।

এবিএম ফজলে করিম চৌধুরী বর্তমানে চট্টগ্রাম উত্তর জেলা আওয়ামী লীগের ভারপ্রাপ্ত সভাপতির দায়িত্ব পালন করছেন। চট্টগ্রামের রাউজানের জনসাধারণ মনে করেন এরকম একজন ব্যক্তিকে পেয়ে তারা গর্ববোধ করেন এবং তার জীবনের সর্বাঙ্গীন মঙ্গল কামনা করেন।সারাজীবন এলাকার মানুষ এবিএম ফজলে করিমের পাশে থাকবেন বলে আশ্বাস দেন এবং এবিএম ফজলে করিম উন্নয়নে নিজের জীবন সব মেধাকে কাজে লাগিয়ে এলাকার উন্নয়নে একটি মাইলফলক করবেন বলে জানান। পুরো বাংলাদেশের যে পরিমাণ ক্লিন সিটি হয়েছে তা জানে তার বেশি হয়েছে বলে এলাকার জনসাধারণ জানান। স্বাধীন কন্ঠ পত্রিকার পক্ষ থেকে এবিএম ফজলে করিম এর প্রতি রইল শুভেচ্ছা ও অভিনন্দন।

স্বাধীন কন্ঠ প্রতিবেদক মোহাম্মদ রবিউল হোসেন।

Tags:

এ বিভাগের আরো কিছু সংবাদ

মন্তব্য

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *