বেকারের কান্না কারও চোখে পড়েনা।

এক যন্ত্রনাদায়ক জীবনের নাম বেকার।অনেক স্বপ্ন ও বুকভরা আশা নিয়ে বেঁচে থাকতে হ্য়। প্রতিনিয়ত ধ্বংস হচ্ছে  এক একটি স্বপ্ন দেখা বেকার তরুণ তরুণীর।কে শুনে কার কথা, বেকার জীবনে থাকে অনেক ব্যাথা।প্রতিনিয়ত-স্বপ্ন ভাঙ্গে স্বপ্ন দেখা মানুষদের ।অনেকের স্বপ্ন দাফনে সমাহিত হচ্ছে।বেকার একটা অভিসপ্ত জীবনের নাম।শত সংগ্রামেও অনেকের ভাগ্যের চাকা ঘুরেনা।আজ আমাদের দেশে লক্ষ লক্ষ শিক্ষিত বেকার তরুণ তরুণী।শুধু মাত্র বেঁচে থাকার নাম বেকার।প্রতিনিয়ত তুচ্ছ তাচ্ছিল্যে এই জীবন যুদ্ধে পার করতে হচ্ছে।

শিক্ষিত হয়ে বেকার থাকা যে কত কষ্ট তা একমাত্র ভুক্তভোগীরাই ভাল জানেন।  যারা বলে পড়লে চাকরি হয়, তাদের বলে দাও, পেটে ক্ষুদা থাকলে পড়া হজম হয় না।জ্ঞান অর্জনের পেছনে যারা দোড়ায় তারা জ্ঞানী হয় কিন্তু চাকুরীজীবি হয় না।হয়তো ভাগ্যের জোরে কিছু ভাগ্যবান লোকের চাকুরি হয়।তাই বলে সবার ভাগ্য আর একরকম নয়।

বিশেষ করে  মধ্যবিত্ত শিক্ষিতরাই বেশি বেকার।কারণ তাদের মামা খালুর জোর কম।তাই তারা ঘোড়া  ডিঙিয়ে ঘাস খেতে পারে না।তাদের চোখে মুখে শুধু  পারিবারিক সমস্যার মানচিত্রই ফুটে উঠে। তাদের পারিবারিক সমস্যা গুলো প্রতিনিয়ত প্রতীয়মান হয়।তাদের প্রতিবেলা দুমুঠো খাবারের চিন্তা করতে হয়।বেকারদের জীবন উচ্চবিত্তের মত নয়, তাদের জীবন কাঠপেন্সিলে আঁকা নয় যে, তা বারবার রাবার দিয়ে মুছা যায়। মধ্যবিত্ত বেকারের জীবন আজ রফিক আজাদের ঐশ্বরিক বাণীর মত”ভাত দে হারামজাদা,তা না হলে মানচিত্র খাব”।

সময় পার করতে হয় সময়ের নিয়মেই। বেকারত্ব নিয়েই অনেক কে বেঁচে থাকতে হয়।পরিশেষে,দূর হোক বেকারত্ব, শুভ উদয় হোক সরকার ও বেসরকারী বিভিন্ন উন্নয়ন প্রতিষ্ঠানের।

স্বাধীনকন্ঠ প্রতিবেদকঃদুলাল রাহাত

Tags:

এ বিভাগের আরো কিছু সংবাদ

মন্তব্য

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *