বেঁচে থাকার আকুতি ছোট্ট শিশু সোহার

যে শিশুটি এখন তার বন্ধুদের সাথে খেলাধুলার সময়, যে শিশুটি কাঁধে ব্যাগ নিয়ে স্কুলে যাওয়ার কথা আজ সেই শিশুটি হাঁটতে পারে না,করতে পারে না বন্ধুদের সাথে খুনসুটি। জানা গেছে জন্মের পর থেকে ভালো ছিল ফুটফুটে শিশু ফারিহা তাবাসসুম (সোহা)। হঠাৎ করেই অসুস্থ হয়ে দু’পা এবং বাম হাত অবশ হয়ে যায়। অবশ হয়ে যাওয়ায় পর অনেক চিকিৎসা করেও সে ভালো হতে পারেনি। সোহা এখন একেবারেই বিকলাঙ্গ এবং অসুস্থ। সে যখন একা একা হাঁটতে যায় তখন পড়ে যায়। হাঁটতে গেলে কারো না কারো সাহায্য লাগে। তার কথা বলতেও কষ্ট হয়। স্বাধীন কন্ঠ টেলিভিশনের চট্টগ্রাম প্রতিবেদক মোঃ আলী রাশেদ শিশুটির সাথে কথা বলতেই সে ছোট্ট শিশুটি জবাব দিল সে বড় হয়ে ডাক্তার হতে চায়, সে বন্ধুদের সাথে দৌড়ে,দৌড়ে খেলতে চাই, সে কাঁধে ব্যাগ ঝুলিয়ে স্কুলে যেতে চায়। স্বাধীন কন্ঠ প্রতিবেদক খোঁজ নিয়ে জানতে পারে ছোট্ট শিশু ফারিহা তাবাসসুম সোহা কোহিনুর আক্তারের একমাত্র মেয়ে। সোহার মা কোহিনুর আক্তার একটি প্রাইভেট হসপিটালে একজন ডাক্তারের কমপাউন্ডার হিসেবে সামান্য বেতনের চাকুরি করে। অভাবের সংসারে খরচ জোগানো এবং ঘরভাড়া দেয়ার পর ছোট্ট বাচ্চাটির জন্য ওষুধ ও চিকিৎসা করার সামর্থ্য তার নেই। পিতৃহীন সোহা ও স্বামীহীন কোহিনুর আক্তার চলতে হচ্ছে অভাব অনটনে। কোহিনুর আক্তার অনেকের কাছে গিয়েছে যতটুকু পেরেছে কিছু না কিছু সাহায্য পেয়েছে যা চিকিৎসার জন্য যথেষ্ট নয়। ডাক্তারের সাথে কথা বলে জানা গেছে, এই সোহা ভালো হতে প্রায় ১০ লাখ টাকার প্রয়োজন। কিন্তু বাচ্চাটির জন্য সে প্রয়োজনীয় অর্থ যোগাড় করা তাদের পরিবারের পক্ষে প্রায়ই অসম্ভব। বাচ্চাটি সুস্থ হওয়ার জন্য যতটুকু প্রয়োজন সোহার মা কোহিনুর আক্তার সমাজের বিত্তবানদের কাছে সাহায্য প্রার্থনা করছেন। যদি কিছু অর্থ বা অনুদান পায় তাহলে তাকে ভারতে নিয়ে চিকিৎসা করালে সে সম্পূর্ণ সুস্থ হয়ে যাবে এমনটাই বলেছে সোহার চিকিৎসক। স্বাধীন কন্ঠ টেলিভিশন এর মাধ্যমে তারা দেশের এবং প্রবাসের জনসাধারণের কাছে সাহায্য প্রার্থনা করেছেন। নিম্ন সাহায্য পাঠানোর ঠিকানা দেওয়া গেলঃ

সোহার মা কোহিনুর আক্তার
বিকাশ পার্সোনাল-
+8801882783263
ব্যাংক হিসাব হিসাবঃ
কোহিনুর আক্তার
উত্তরা ব্যাংক লিমিটেড।
চকবাজার শাখা,চট্টগ্রাম।
হিসাব নংঃ 0257111-11-2171

Tags:

এ বিভাগের আরো কিছু সংবাদ

মন্তব্য

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *