বাংলাদেশ হোমিওপ্যাথি বোর্ডের চট্টগ্রাম বিভাগীয় চিকিৎসক প্রতিনিধি সদস্যকে অপসারণের দাবী

স্বাস্থ্যমন্ত্রী বরাবরে চট্টগ্রাম বিভাগীয় কমিশনারকে হোমিও শিক্ষক-চিকিৎসকদের স্মারকলিপি প্রদান বাংলাদেশ হোমিওপ্যাথি বোর্ডের চট্টগ্রাম বিভাগীয় হোমিওপ্যাথি চিকিৎসক প্রতিনিধি সদস্য ডাঃ এ কে এম ফজলুল হককে অপসারণের দাবীতে চট্টগ্রামের হোমিওপ্যাথি কলেজসমূহের শিক্ষক ও বিভিন্ন রেজিস্ট্রার্ড বৃহৎ হোমিও সংগঠনের নেতৃবৃন্দ গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকারের স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণ মন্ত্রী বরাবরে চট্টগ্রাম বিভাগীয় কমিশনারকে স্মারকলিপি প্রদান করা হয়। ৪ ডিসেম্বর ২০১৯ বুধবার সকালে বিভাগীয় কমিশনারকে প্রদত্ত স্মারকলিপিতে বোর্ড সদস্যকে অদক্ষ, অযোগ্য, স্বল্পশিক্ষিত, মুক্তিযুদ্ধের বিরোধী, দুর্নীতিবাজ, স্বেচ্ছাচারী হিসেবে উলে­খ করেন। এ সময় অন্যান্যদের মধ্যে উপস্থিত ছিলেন ডা. জাকির হোসেন সিটি কর্পোরেশন হোমিওপ্যাথিক মেডিকেল কলেজ ও হাসপাতালের অধ্যক্ষ ডা. মো. নুরুল আমিন, সহযোগী অধ্যাপক ডা. আবু ইউছুপ, সহকারী অধ্যাপক ডা. এম এইচ আর রেজাউল করিম, সহকারী অধ্যাপক ডা. অঞ্জন দত্ত, প্রভাষক ডা. শরিফ জামান শরিফ, প্রভাষক ডা. মো. কাউসার হামিদ, প্রভাষক ডা. জুলফিকার হায়দার, ডা. খোরশেদুল আলম চৌধুরী, রবিউল হোসেন, চট্টগ্রাম হোমিওপ্যাথিক মেডিকেল কলেজ ও হাসপাতালের অধ্যাপক ডা. গোপাল ভট্টাচার্য, প্রভাষক এস এম নুরুল হক, প্রভাষক সরওয়ার কামাল, প্রভাষক ডা. মো. কামাল হোসেন, আজিজুর রহমান হোমিওপ্যাথিক মেডিকেল কলেজ ও হাসপাতালের প্রভাষক ডা. মহিউদ্দিন, বাংলাদেশ হোমিওপ্যাথিক পরিষদ কেন্দ্রীয় মহাসচিব ডা. অঞ্জন কুমার দাশ, বাংলাদেশ হোমিওপ্যাথিক মেডিকেল এসোসিয়েশন চট্টগ্রাম জেলা সভাপতি এড. ডা. মো. ছমি উদ্দিন, ডা. জাকির হোসেন সিটি কর্পোরেশন হোমিওপ্যাথিক মেডিকেল কলেজ ও হাসপাতাল প্রাক্তন ছাত্র-ছাত্রী পরিষদের সাধারণ সম্পাদক ডা. কামরুল হাসান মো. ফারুকী, ডা. ছিদ্দিক আহম্মদ প্রমুখ। স্মারকলিপিতে নেতৃবৃন্দ বলেন, বোর্ড সদস্য ডা. ফজলুল হক হোমিওপ্যাথির নামে দীর্ঘদিন থেকে রোগীদের অপ-হোমিওপ্যাথি চিকিৎসা করছেন। তার চেম্বারে গ্যারান্টি সহকারে পাইলস্ ট্রিটমেন্ট, ইউনানী চিকিৎসা, ডেন্টাল কেয়ারসহ বিভিন্ন চিকিৎসা করা হয় যা হোমিওপ্যাথি নিয়মনীতি বিরুদ্ধ। অন্যদিকে তিনি একজন এস এস সি পাশ হোমিও চিকিৎসক। এছাড়াও বোর্ড সদস্য হওয়ার পর থেকে নেতৃবৃন্দ তার বিরুদ্ধে হোমিওপ্যাথি কলেজের শিক্ষকদের সাথে দুর্ব্যবহার, কলেজে বিভিন্ন অপ-কর্মের কথা বলে চাঁদা দাবীসহ অযোগ্যতা, অদক্ষতা, স্বেচ্ছাচারিতা এবং ক্ষমতার অপ-ব্যবহার করে নানা অজুহাতে কলেজ অধ্যক্ষদের কাছ থেকে অর্থ আদায়ের অভিযোগ আনেন।

Tags:

এ বিভাগের আরো কিছু সংবাদ

মন্তব্য

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *