বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী পলিসি ফোরামের উদ্যোগে শীর্ষক ভার্চুয়াল ওয়েবিনার অনুষ্ঠিত

ভার্চুয়াল সেমিনারে সভাপতিত্ব করেন বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী পলিসি ফোরামের সভাপতি মো.মোসলেহ উদ্দিন হাওলাদার আরিফ।
অনুষ্ঠানের শুরুতে সেমিনারের মূল প্রবন্ধ উপস্থাপন করেন চালর্স বিশ্ববিদ্যালয় অস্ট্রেলিয়ার অধ্যাপক গবেষক শিবলী আব্দুল্লাহ। বিষয় ছিলো ” বাংলাদেশের গণতন্ত্র ও শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমানের ভূমিকা “৷

বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী পলিসি ফোরামের সহ সভাপতি কুদরত উল্লাহ লিটনের পরিচালনায় ওয়েবিনারে প্রধান অতিথি হিসাবে আলোচনায় অংশগ্রহণ করেন বিএনপির জাতীয় স্থায়ী কমিটির অন্যতম সদস্য বাবু গয়েস্বর চন্দ্র রায়।
বিশেষ অতিথি হিসাবে বক্তব্য রাখেন বিএনপির জাতীয় নির্বাহী কমিটির অন্যতম সহ সভাপতি শামসুজ্জামান দুদু, যুগ্ম মহাসচিব ব্যারিস্টার মাহবুব উদ্দিন খোকন,আন্তজাতিক বিষয়ক সম্পাদক ব্যারিস্টার নাসির উদ্দিন আহম্মেদ অসীম,তথ্যপ্রযুক্তি বিষয়ক সম্পাদক অধ্যাপক একেএম ওয়াহিদুজ্জামান,সহ আন্তর্জাতিক বিষয়ক সম্পাদক আনোয়ার হোসেন খোকন, বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী পলিসি ফোরাম এবং স্বাধীনতার সুবর্ণজয়ন্তী কমিটি,অস্ট্রেলিয়ার প্রধান উপদেষ্টা মোঃদেলওয়ার হোসেন, বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী পলিসি ফোরামের সাধারণ সম্পাদক চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রফেসর মোঃ শাহ্ আলম,কুষ্টিয়া ইসলামী বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রফেসর ড.একেএম মতিনুর রহমান।
সংক্ষিপ্ত ভিডিওর মাধ্যমে বক্তব্য রাখেন ইস্ট হিল নিউ সাউথওয়েলসের এমপি উন্ডি লিন্সে।

অনুষ্ঠানে পবিত্র কোর আন তেলোয়াত ও বিশেষ দোয়া পরিচালনা করেন বাংলাদেশ পলিসি ফোরাম অস্ট্রেলিয়ার ড.ফকির মনিরুজ্জামান।আর ও বক্তব্য রাখেন স্বাধীনতা সূবর্ন জয়ন্তী কমিটির যুগ্ম আহ্ববায়ক মোবারক হোসেন,ইয়াসির আরাফাত সবুজ,এএনএম মাসুম।
সেমিনারে উপস্থিত ছিলেন সিংগাপুর বিএনপির সাবেক সভাপতি আব্দুল কাদের ভূইয়া,ডিএইচ এম এস এর সভাপতি ডাঃ আবুল খায়ের ভূঁইয়া, জিসপ কেন্দ্রীয় কমিটির র সভাপতি গিয়াস উদ্দিন খোকন, বিডি দিনকালের প্রধান সম্পাদক কামরুল হাসান বাবলু, জাতীয়তাবাদী প্রচার দলের সভাপতি মাহফুজুর রহমান,সাধারণ সম্পাদক আকবর হোসেন, স্বাধীনতার সুবর্ণজয়ন্তী কমিটি,অস্ট্রেলিয়ার যুগ্ম আহ্ববায়ক রাশেদ আল হাসান,সেলিম লয়িকত,আলহাজ্ব নাসিম উদ্দিন আহম্মেদ,আবুল হাশেম মৃধা ঝিলু,সৈয়েদা খানম আংঙ্গুর,ইব্রাহিম খলিল মাসুদ,জাসাস সভাপতি আব্দুস সামাদ শিবলু,বিএনপি যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক ইন্জিনিয়ার কামরুল ইসলাম শামীম,যুবদলের সাধারণ সম্পাদক খাইরুল কবির পিন্টু,বিএনপির সাংগঠনিক সম্পাদক মোস্তাফা মোরশেদ নিথুন,রমজান আলী, ইন্জিনিয়ার মোস্তাফিজ আল মামুন,লক্ষীপুর জেলা স্বেচ্ছাসেবক দলের সভাপতি এ্যাড. মহসিন কবির স্বপন,স্বেচ্ছাসেবক দল অস্ট্রেলিয়ার সাধারণ সম্পাদক মৌহাইমেন খান মিশু,ভারপ্রাপ্ত সাধারণ সম্পাদক এমডি কামরুজ্জামান,যুবদলের সাংগঠনিক সম্পাদক মোহাম্মদ জাকির হোসেন রাজু,মোহাম্মদ জসিম, আনোয়ার হোসেন, জেবল হক জাবেদ,পবিএ বড়ুয়া,পারভেজ আলম,জাহিদ হাসান,মো.মামুনুর রশিদ,গোলাম রাব্বী শুভ্র,অসীত গোমেজ,জসিম উদ্দিন,ওয়ারেস মাহমুদ,তারেক হাসান, সিদরাতুল মিনতাহা শীতল, শাকিল আহম্মেদ,সাহাবুর রহমান, একে এম বারী,এনাম হক,জসিম উদ্দিন চৌধুরী প্রমুখ।
প্রধান অতিথির বক্তব্যে বাবু গয়েস্বর চন্দ্র রায় বলেন,বাংলাদেশে একটি অগণতান্ত্রিক সরকার ক্ষমতায় যারা দেশের মুক্তি যুদ্ধের ইতিহাসকে কুক্ষিগত করে নিজেদের মত মিথ্যা দিয়ে রচনা করতে চায়।আওয়ামী লীগ কোর্টের মাধ্যম মহান স্বাধীনতার ঘোষক শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমানের নাম বাদ দিয়ে বাংলাদেশের মিথ্যা ইতিহাস লিখতে চাচ্ছে।কিন্তু বাংলাদেশের কোটি মানুষ শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমানের স্বাধীনতা যুদ্ধের ভূমিকা এবং সাড়ে তিন বছরের দেশ গড়ার ভূমিকা আজীবন মনে রাখবেন।

বিশেষ অতিথির বক্তব্যে শামসুজ্জামান দুদু বলেন,শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমানের রাষ্ট্রনীতি এবং বহুদলীয় গণতন্ত্রের মাধ্যমে বাংলাদেশকে একটি আধুনিক রাষ্ট্র হিসাবে প্রতিষ্ঠিত করেছিলেন।কিন্তু বর্তমানে বাংলাদেশের মানুষের কোন মৌলিক অধিকার নেই আইনের শাসন নেই, ভোটের অধিকার নেই, সংবাদপত্রগুলো স্বাধীনতা নেই।

নিউ সাউথওয়েলসের এমপি উন্ডি লিন্ডে তার ভিডিওর মাধ্যমে সংক্ষিপ্ত বক্তব্যে বলেন বাংলাদেশের গণতান্ত্রিক ব্যাবস্থাকে শক্তিশালী করতে সকলের অংশগ্রহণে একটি সঠিক নির্বাচন অতি জরুরী।

অধ্যাপক শিবলী আব্দুল্লাহ মূল প্রবন্ধে ১৯৭২ -৭৫ সালে বাংলাদেশের একটি চিএ তুলে ধরেন ।তিনি শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমানের রাষ্ট্রনীতি, পররাষ্ট্রনীতি ,অর্থনীতি এবং আইনের শাসন,প্রশাসনিক দূরদর্শিতা ও রাজনীতির আমূল পরিবর্তনের এক বিশদ চিএ তুলে ধরেন।

অধ্যাপক একেএম ওয়াহিদুজ্জামান বলেন ,শেখ হাসিনার বিকল্প কি? শেখ হাসিনার বিকল্প হচ্ছে তার মতই ফ্যাসিস্ট। বেগম খালেদা জিয়া, তারেক রহমান তো গণতন্ত্রের প্রতীক। বিএনপি গণতন্ত্র প্রতিষ্ঠা করেছে। আওয়ামী লীগ করে নাই। বহুদলীয় গণতন্ত্র প্রতিষ্ঠা করেছে প্রেসিডেন্ট জিয়াউর রহমান। সুতরাং শেখ হাসিনার সাথে বেগম খালেদা জিয়ার পার্থক্য তো থাকবেই। আওয়ামী লীগের সাথে বিএনপির পার্থক্য তো থাকবেই।

ব্যারিস্টার নাসির উদ্দিন আহমেদ অসিম বলেন,৭১ সালের অনেক আগেই সম্ভবত ১৯৬৩ সালে শহীদ প্রেসিডন্ট জিয়া উর রহমান স্বাধীন বাংলাদেশের স্বপ্ন দেখেছিলেন । সে সময় তিনি বলে ছিলেন আমাকে অস্ত্র সামগ্রির যোগান দেওয়া হউক আমি এদেশকে স্বাধীন করে ছাড়ব।

Tags:

এ বিভাগের আরো কিছু সংবাদ

মন্তব্য

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *