দীর্ঘ ২০ বছরের জায়গার বিরোধের নিষ্পত্তি ঘটিয়ে জনগণের প্রশংসা কুড়ালেন ১২ নং উরকিরচর ইউনিয়নের চেয়ারম্যান আব্দুল জাব্বার সোহেল।

মোহাম্মদ রুহুল আমিন ১২নং উরকিরচর ইউনিয়ন এর সুজার বাড়ি নিবাসী মৃত এবাদুর রহমানের ছেলে দীর্ঘদিন প্রবাসে থাকাকালীন উপার্জিত অর্থ দিয়ে দেশে সম্পত্তি ক্রয় করেন বসতবাড়ি নির্মাণ করেন।

সময়ের পরিক্রমায় সেই বসতবাড়ি নিয়ে পারিবারিক বিরোধ তৈরি হয়।দীর্ঘ ২০ বছর ধরে চলমান এই বিরোধ নিয়ে স্থানীয়ভাবে এবং ইউনিয়ন পরিষদে নানান সালিশ দরবার হলেও এর কোন সমাধান পাওয়া যায়নি।

বারবার জায়গার মাপজোক হলেও কোন মিমাংসাই হয় নি।এরপরেও মোঃ রুহুল আমিন নানান ভাবে চেষ্টা তদবির করতে থাকেন একটি সুন্দর সমাধানের আশায়।ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান মেম্বার সহ সংশ্লিষ্ট সকলের নিকট বারবার সমাধান এর জন্য গেলেও কোনো সুরাহা না পেয়ে নিরাশ হয়ে পড়েন এবং এক পর্যায়ে এই সংক্রান্ত দুশ্চিন্তায় শয্যাশায়ী হয়ে যান।

এরমধ্যে ১২নং উরকিরচর ইউনিয়নের চেয়ারম্যান আব্দুল জব্বার সোহেলের পরিষদে বিরোধ নিষ্পত্তির আশায় আবার নতুন করে নালিশ দাখিল করেন এবং পুনরায় সম্পত্তি মাপজোক হলেও কোনো সমাধান না পেয়ে বিগত এক বৎসর আগে রুহুল আমিন স্ত্রী এবং তিন কন্যা সন্তান রেখে মৃত্যুবরণ করেন।মৃত্যুর পূর্বে উনি তার যাবতীয় সম্পত্তি সমূহ স্ত্রীর নামে হেবা মূলে হস্তান্তর করে যান।

রুহুল আমিনের মৃত্যু পর তার স্ত্রী এবং কন্যা সন্তানদের অসহায়ত্বের বিষয়টি লক্ষ্য করে চেয়ারম্যান সোহেল নিজ উদ্যোগে বিষয়টি সমাধানের তৎপর হন।একটি সুন্দর আপোষ মীমাংসা করে দীর্ঘ দুই দশকের বিরোধের নিষ্পত্তি ঘটান।যা এলকায় সকলের প্রশংসা অর্জন করে।

এ-সংক্রান্ত আপস-মীমাংসার রায় এবং দলিল ভুক্তভোগী রুহুল আমিনের স্ত্রী আমেনা বেগমের নিকট ০৯/১১/২০২০ তাং হস্তান্তর করেন।চেয়ারম্যান আব্দুল জব্বার সোহেল এর নিকট এ বিষয়ে জানতে চাইলে তিনি জানান,আধুনিক রাউজানের স্বপ্নদ্রষ্টা এবিএম ফজলে করিম এমপির নেতৃত্বে একটি সৌন্দর্যপূর্ণ সম্প্রীতি রাউজান করতে তিনি নিরলসভাবে কাজ করে যাবেন।

Tags:

এ বিভাগের আরো কিছু সংবাদ

মন্তব্য

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *