ট্রেন সেবা,যাত্রী সেবা।

দৈনন্দিন কাজে মানুষ বিভিন্ন কাজে ভিন্ন ভিন্ন জায়গায় ভ্রমন করতে হয়।আর সেই ভ্রমনের বাহন যদি হয় ট্রেন তা হলেতো কথাই নাই।বিশ্বব্যাপি ট্রেন একটি আরামদায়ক ও নিরাপদ বাহন।গত কয়েক যুগের তুলনায় বাংলাদেশেও ট্রেন সকলের কাছে আরামদায়ক ও নিরাপদ বাহন হিসেবে সু পরিচিতি লাভ করেছে।উন্নয়নের ধারাবাহিকতায় রেল ও কম এগিয়ে যায় নি।কিন্তু কিছু অসাধুও টিকেট কালোবাজারির কারণে মাঝে মাঝে যাত্রীদের ভোগান্তীতে পড়তে হয়। সরকার যাত্রীদের সুবিধাত্তে করোনা কালিন সময়ে দু সিটে একজন বসার নিয়ম করেছেন।কিন্তু এখন দেখা যাচ্ছে দু সিটে দুই জনই বসতেছে।ঐ একজনের টাকা ভাগ বাটোয়ারা করে খাচ্ছেন ট্রেনে কর্মরত কিছু অসাধু লোক।এতে করে সরকার হারাচ্ছে রাজস্ব ।দিন দিন যাত্রী সংখ্যা বেড়ে যাওয়ায় এ সুবিধাকে কাজে লাগাচ্ছে ট্রেনে কর্মরত কিছু অসাধু লোক। কিন্তু বর্তমান সময়ে যাত্রীর তুলনায়  ট্রেনের সংখ্যা খুবই কম।এই দেশতো সুবিধা ভোগীদের, সুযোগ পেলেই সুবিধা লুটে নেয়।ট্রেনে সুবিধা ভোগিদের এক শ্রেণি হলো টিকেট কালোবাজারি।       
আমি আসলে ট্রেনের টিকেট কালোবাজারিদের কথা বলছি।আপনি যেই স্টেশনেই যান না কেন।আপনাকে সুমধুর ব্যবহার দিয়ে বলবে,ভাই আমার কাছে টিকেট আছে লাগলে নিয়ে যান।প্রয়োজন না থাকলেও এ কেমন ভালবাসা।আহ !  টাকা নচেৎ কম নয়।২০০ টাকার টিকেট ৪০০ টাকা।অনেক সময় দ্বিগুনের চেয়েও বেশি হয়।সবাইতো আর অনলাইনে টিকেট কাটার নিয়ম জানেনা।তাই প্রয়োজনেই ডাবল টাকা দিয়ে দালালদের কাছ থেকে টিকেট কিটে নেয়।আমরা এমন একটা দেশে বসবাস করছি।যে দেশে যুগে যুগে মানুষের সরলতা, দুর্যোগ,মহামারির মত প্রেক্ষাপটকে কাজে লাগিয়ে ব্যবসা করা হয়।এখন টিকেট কালোবাজারিদের রমরমা ব্যবসা চলছে।সরকার প্রতিনিয়ত চেষ্টা করে যাচ্চেন জনগন যাতে সর্বোচ্চ সেবা পায়।কিন্তু গুটিকয়েক অসাধু লোকের কারণে সাধারণ জনগন সেই সেবা থেকে প্রতিনিয়ত বন্চিত হচ্ছেন।আসুন দেশকে ভালবাসি,দেশের উন্নয়নে আমি আপনি অগ্রনী ভূমিকা পালন করি।

লেখকঃ দুলাল রাহাত

Tags:

এ বিভাগের আরো কিছু সংবাদ

মন্তব্য

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *