টাকার দাবিতে পুলিশের এক এসআই বেধড়ক পিটিয়েছে কলেজছাত্রী এক তরুণী বধূকে।

বগুড়ায় টাকার দাবিতে পুলিশের এক এসআই বেধড়ক পিটিয়েছে কলেজছাত্রী বধূকে। আহত ওই ছাত্রী বর্তমানে হাসপাতালে ভর্তি। পিতা-মাতার অমতে বিয়ে করেছিলেন তাঁরা।

সোমবার দুপুরে বগুড়া মোহাম্মদ আলী হাসপাতালের সার্জিক্যাল ওয়ার্ডে চিকিৎসাধীন রয়েছে মনিরা আকতার নামের ওই ছাত্রী। মনিরা আকতার জানান, তার একই উপজেলার সোনারায় ইউপির মধ্যখুপি গ্রামের ইমরান হোসেনের সাথে প্রেম হয়। এই প্রেমের সম্পর্ক মেনে নেয়নি মনিরার বাবা জাহিদুল ইসলাম। তিনি উল্টো তার প্রেমিক ইমরানের নামে গাবতলী থানায় লিখিত অভিযোগ করেন। অভিযোগের তদন্তভার পান গাবতলী থানার এসআই রিপন মিয়া। তিনি তদন্তকাজের অংশ হিসেবে ইমরান ও মনিরার সাথে সাক্ষাৎ করে প্রকৃত ঘটনা জানেন। এরপর বিষয়টি ঝুলিয়ে রেখে অভিযোগকারী মনিরার বাবা জাহিদুল ও প্রেমিক ইমরান দুজনের কাছ থেকে মাঝে-মাঝেই টাকা হাতিয়ে নিতে থাকেন।

একপর্যায়ে নভেম্বরের ১ তারিখে মনিরা ও ইমরান নিজেদের সম্মতিতে বিবাহ বন্ধনে আবদ্ধ হন।খবরটি জানতে পেরে তদন্ত কর্মকর্তা এসআই রিপন ফোর্স নিয়ে রবিবার রাত ১০টার দিকে ইমরানের বাড়ি ঘেরাও করে। এরপর ঘরের দরজা ভেঙে প্রবেশ করে । পরে এসআই রিপন মনিরার বাবার অভিযোগের তদন্তকারী হিসেবে কেন তাকে না জানিয়ে বিয়ে সম্পন্ন করা হলো তা জানতে চান মনিরার কাছে। মনিরা কারণ জানালে, ক্ষুব্ধ হয়ে এসআই রিপন মিয়া বলেন, ঠিক আছে বিবাহ করেছিস ভালো কথা এখন ১০ হাজার টাকা দে। মনিরা টাকা দিতে অপারগতা প্রকাশ করলে রিপন মিয়া আরো ক্ষুব্ধ হয়ে মনিরাকে চড় থাপ্পড় কিল ঘুষি মারতে শুরু করে। এর একপর্যায়ে মনিরাকে লাঠিপেটা করেন তিনি। এ সময় মনিরার স্বামী এমরান তাকে রক্ষা করতে এগিয়ে গেলে তাকেও মারপিট করা হয়। 

Tags:

এ বিভাগের আরো কিছু সংবাদ

মন্তব্য

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *