ছাত্রদল নেতা অভি হত্যায়,গ্রেফতার ৪!

চট্টগ্রাম: নগরের ডবলমুরিং থানা ছাত্রদল নেতা অভি মীর হত্যা মামলায় চারজনকে গ্রেফতার করেছে পুলিশ। এদের মধ্যে তিনজন এজাহারনামীয় বলে জানিয়েছে পুলিশ।

শুক্রবার (৩ জু্লাই) ভোরে বিভিন্ন এলাকায় অভিযান চালিয়ে তাদের গ্রেফতার করা হয়। তাদের কাছ থেকে হত্যাকাণ্ডে ব্যবহৃত ছুরি উদ্ধার করেছে পুলিশ।

গ্রেফতার চারজন হলো- মো. ইরফান প্রকাশ বাবু (২৩), মো. শাহরিয়ার ফারদিন প্রকাশ তুহিন (১৯), মো. ইয়াছিন আরাফাত প্রকাশ টিটু (৩০) ও মো. ইব্রাহিম মুন্না (২৬)। তারা চারজনই ডবলমুরিং থানার হাজীপাড়া আবদুর রাজ্জাক সারেং বাড়ির মো. আবু কালামের ছেলে। এদের মধ্যে পুলিশ তদন্তে সংশ্লিষ্টতা পেয়ে ইব্রাহিম মুন্নাকে গ্রেফতার করে। অন্য তিনজন এজাহারনামীয় আসামি।

গ্রেফতার চারজন নিজেদের ছাত্রলীগ কর্মী বলে পরিচয় দেন। তবে তাদের পদ-পদবী জানা যায়নি।

ডবলমুরিং থানার পরিদর্শক (তদন্ত) মো. জহির হোসেন ও উপ-পরিদর্শক (এসআই) অর্নব বড়ুয়া নেতৃত্বে একটি টিম অভিযান চালিয়ে আসামিদের গ্রেফতার করে।

ডবলমুরিং থানার পরিদর্শক (তদন্ত) মো. জহির হোসেন স্বাধীনকণ্ঠ টিভিকে বলেন, অভি মীর হত্যা মামলায় চারজনকে গ্রেফতার করা হয়েছে। এদের মধ্যে তিনজন এজাহারনামীয় আসামি ও একজন তদন্তে প্রাপ্ত। তাদের কাছ থেকে হত্যাকাণ্ডে ব্যবহৃত ছুরিটি উদ্ধার করা হয়েছে। পাঁচদিনের রিমান্ডের আবেদনসহ আসামিদের আদালতে প্রেরণ করা হবে।

ডবলমুরিং থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) সদীপ কুমার দাশ স্বাধীনকন্ঠ টিভি কে বলেন, গ্রেফতার চারজন উঠতি বয়সী যুবক। তারা হাজীপাড়া এলাকায় দীর্ঘদিন ধরে মারামারি ও সন্ত্রাসী কার্যক্রম করে আসছিল। তুচ্ছ ঘটনাকে কেন্দ্র করে অভি মীরকে ছুরিকাঘাত করেছে তারা।

এসআই অর্নব বডুয়া স্বাধীনকন্ঠ টিভিকে বলেন, ১৫ জুন রাতে হাজীপাড়া মসজিদের সংলগ্ন ইমরানের গ্যারেজের সামনে মোবাইল ফোনে উচ্চস্বরে কথা বলা নিয়ে অভি মীরের সঙ্গে আসামিদের কথা কাটাকাটি হয়। এ ঘটনাকে কেন্দ্র করে মো. ইরফান প্রকাশ বাবুসহ অন্যরা মিলে অভি মীরকে ছুরিকাঘাত করে।

এ ঘটনায় চিকিৎসাধীন অভি মীর বাদি হয়ে ১৮ জুন থানায় মামলা দায়ের করেন। পরে ২৪ জুন চট্টগ্রাম মেট্রোপলিটন হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় মৃত্যু হয় অভি মীরের।

Tags:

এ বিভাগের আরো কিছু সংবাদ

মন্তব্য

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *