চট্টগ্রামে ফ্লাই ওভারের নিচেই আর্বজনা রাখার স্থান!

চট্টগ্রাম বহদ্দারহাট এম এ মান্নান ফ্লাই ওভারের নিচে আবর্জনা রাখার স্থান হিসেবে ব্যবহার করা হচ্ছে। চট্টগ্রাম যেমন নান্দনিক হচ্ছে তেমনিই সবুজায়ন হচ্ছে। কিন্তু যে উন্নয়নগুলো হচ্ছে সে উন্নয়নের সুফল মানুষ পাচ্ছে না বলে অভিযোগ করেছেন এলাকার জনসাধারণ। একটি ফ্লাইওভারের নিচে সৌন্দর্যবর্ধন দূরে থাক যেখানে সবুজায়ন করা হবে সেখানে ময়লা আবর্জনা স্তুপ করে রেখেছে বলে ক্ষোভ প্রকাশ করেন বহদ্দারহাট এলাকার মোঃ মনির হোসেন। বদ্দারহাট এলাকায় অধিকাংশ স্কুল কলেজ থাকলেও এলাকার স্কুল পড়ুয়া ছাত্র-ছাত্রীরা হাঁটা-চলার সময় নাকে হাত দিয়ে হাঁটে এ আবর্জনা ও দুর্গন্ধ থেকে মুক্তি পেতে। আবর্জনা ফেলার কারণে এলাকায় মশা-মাছির উপদ্রব যেমন বেড়েছে তেমনি ডেঙ্গু মশার উপদ্রব বাড়ছে।

বহদ্দারহাট এলাকার ফ্লাইওভারের পাশে ফল বিক্রেতা জনাব মহসিন বলেন-এখানে মানুষদেরকে বারণ করা সত্ত্বেও ও সিটি কর্পোরেশন থেকে ময়লা ফেলানোর বক্স দিলেও যত্রতত্রভাবে এখানে ময়লা আবর্জনা ফেলছে ফলে এলাকার পরিবেশ নষ্ট হচ্ছে। পরিবেশ সুন্দরের স্বার্থে তিনি চট্টগ্রাম সিটি কর্পোরেশনের মেয়র আ, জ, ম নাছিরের দৃষ্টি আকর্ষণ করেন। এম এ মান্নান ফ্লাই ওভারের নিচে আবর্জনার স্তুপের বিষয় সিডিএ সম্মানিত চেয়ারম্যান জনাব জহিরুল আলম দোভাষ বলেন -ফ্লাইওভারের নিচে যে সৌন্দর্যবর্ধন রয়েছে এগুলো আগে সিডিএ করতো। এখন এগুলো সৌন্দর্যবর্ধন এবং সবুজায়নের জন্য বর্তমানে সিটি কর্পোরেশনকে দায়িত্ব দেয়া হয়েছে। এটি সিটি করপোরেশন দেখবে আর যদি কোন সমস্যা দেখা যায় তখন সিডিএ ব্যবস্থা নিবে বলে মন্তব্য করেন ‌তিনি।


বহদ্দারহাট এলাকার এমএ মান্নান ফ্লাইওভারের নিচে আবর্জনার স্তুপ এ কেমন চট্টগ্রাম এ বিষয়ে প্রশ্ন করা হলে ৬নং পূর্ব ষোলশহর ওয়ার্ডের সম্মানিত কাউন্সিলর জনাব এম আশরাফুল আলম বলেন- এলাকার জনসাধারণকে এ বিষয়ে সচেতন করা হচ্ছে যতবার সচেতন করা হয় তার কয়েকদিন পরে আবার ময়লা ফেলে এ বিষয়ে আমরা কার্যকর পদক্ষেপ নিতে যাচ্ছি। যে কেউ আবর্জনা ফেলতে দেখলে তাকে আমরা শাস্তির আওতায় নিয়ে আসব।এলাকার উন্নয়নে ও সৌন্দর্যে এলাকার জনসাধারণের ভূমিকা অনেক বলে তিনি মন্তব্য করেন। এখানে উল্লেখ্য যে, চট্টগ্রাম থেকে পৃথিবী বিখ্যাত কক্সবাজার সমুদ্র সৈকত দেখতে হাজারো পর্যটক যখন এ এলাকা দিয়ে যাতায়াত করে তখন ফ্লাইওভারের নীচে আবর্জনা দেখে সবাই হতাশ হয়। কর্তৃপক্ষের এ সমস্যা গুলো সমাধানে এখনেই নজর দেওয়ার সময়। এলাকার জনসাধারণ মনে করে অচিরেই কর্তৃপক্ষ ফ্লাইওভারের নিচে সৌন্দর্য ও সবুজায়ন করে এলাকাকে আরো সবুজ মন্ডিত করবে এবং আবর্জনা ফেলার জন্য কিছু কিছু এলাকায় ডাস্টবিন স্থাপন করবে আশা ব্যক্ত করেন।

স্বাধীন কন্ঠ/ মোঃ রবিউল হোসেন।

Tags:

এ বিভাগের আরো কিছু সংবাদ

মন্তব্য

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *