কাবিন যত বেশি বিবাহ বিচ্ছেদ তত বেশি

লেখকের ছবি

বিবাহ একটি ধর্মীয় ও সামাজিক বন্ধন।এই বন্ধনকে শক্ত ও মজবুত করার জন্য কতগুলো নিয়মের মধ্য দিয়ে সংসারজীবনে অগ্রসর হতে হয়।আমাদের দেশে এক এক এলাকায়এক এক রকম বিয়ের আনুষ্ঠানিকতা হয়ে থাকে।যেমনচট্টগ্রামের বিয়ে মানে অনেক ব্যয়বহুল।এখানে সবচেয়েবেশি ক্ষতিগ্রস্থ হয় কন্নার পিতা।টাকার অভাবে অনেকমেয়ের বিয়ে  সঠিক সময়ে হয়না।আমাদের এই কালচারথেকে বের হয়ে আসতে হবে।

আরেকটা গুরুত্বপূর্ন বিষয় হলো কাবিন।কাবিন এখনবাংলাদেশে একটা আধুনিকতা হয়ে গেছে।অনেকাংশে মনেহবে এটা একট ব্যবসা।তার কারণ হলো মেয়ের পক্ষ মনেকরে কাবিন যত বেশি হবে বিয়েটা তত মজবুত হবে।এটামনে করেনা যে কাবিনটা বেশি হলে ছেলে মোহরানাটাঠিকভাবে দিতে পারবেন কিনা?আবার দেখা যায় অনেকমেয়ে কাবিন বেশি হওয়ার খুশিতে অনেক অন্যায় আবদারকরে থাকে,যা ছেলে  পক্ষে অনেক সময় পূরণ করা সম্ভবওহয়না।ঠিক ভাবে দিতে না পারলে শুরু হয় পারিবারিকঅশান্তি।যা অনেক সময় বিবাহ বিচ্ছেদে রুপ নেয়।

কাবিন বেশি হলে বিয়ে মজবুত হবে এটা মোটেও ঠিক না।দুটি পরিবারের মিল বন্ধনে টিকে থাকে দুটি পরিবার।সংসার সুখের হয় দুটি মনের মিলনে।যারা সমাজের উছুস্থানে বাস করেন।সমাজের ভাল মন্দ চিন্তা করেন।তাদেরউচিত কাবিন বেশি না করে।সামাজিক ও ধর্মীয় ভিত্তিমজবুত করা।এমন কি সমাজের অসংগতি গুলো দূর করা।এটা কোন কোরবানের গুরু নয় যে দাম কশা কশি করবেন।অনেক জায়গায় কোরবানের গরুর মত কাবিনের দরকশাকশি করা হয়।যা অত্যান্ত দু:খজনক।আমরা সভ্য সমাজেবাস করলেও আজও সভ্য হতে পেরেছি কি?এখনকার সময়েযত বেশি কাবিন হচ্ছে তত বেশি বিবাহ বিচ্ছেদ ও হচ্ছে।তাই কাবিন বেশি ও অনেক বরযাত্রি খাওয়ার নিয়ম থেকেআমাদের  বেরিয়ে আসতে হবে ।এতে করে রক্ষা পাবে ছেলেও মেয়ের পক্ষ।আসুন আমরা কাবিন বেশি ও ছেলে পক্ষেরঅন্যায় আবদারের প্রতি সামাজিক প্রতিরোধ গড়ে তুলি।

লেখকঃ দুলাল রাহাত

Tags:

এ বিভাগের আরো কিছু সংবাদ

মন্তব্য

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *