করোনা পরিস্থিতিতে গার্মেন্টস শিল্পের হালখাতা কতটুকু মজবুদ!

বিশ্বজুড়ে করোনাভাইরাসের বিস্তার যত বাড়ছে, বাংলাদেশের অর্থনীতি নিয়ে উদ্বেগও ততটাই ঘনীভুত হচ্ছে।

বিশেষ করে গার্মেন্টস শিল্পে এরই মধ্যে সংকট দেখা দিয়েছে। বাংলাদেশে এই শিল্প টিকে আছে ইউরোপ এবং আমেরিকার বাজারের উপর নীর্ভর করে।

কিন্তু সেসব দেশে করোনাভাইরাসের ব্যাপক সংক্রমণের ফলে বহু পশ্চিমা ক্রেতা বাংলাদেশ থেকে তাদের অর্ডার বাতিল কিংবা স্থগিত করছেন।

ঢাকার পাশে টঙ্গিতে একটি গার্মেন্টস কারখানায় কাজ করেন সাবিনা আক্তার। তিনি যে কারখানায় কাজ করেন সেখানে প্রায় ৮০০ মতো শ্রমিক আছে।

গত বেশ কিছুদিন ধরেই তাদের কারখানা টালমাটাল অবস্থা চলছে। মালিকপক্ষ জানিয়েছে তাদের হাতে আপাতত কোন অর্ডার নেই।

ফলে কারখানা আপাতত বন্ধ রাখতে হচ্ছে। ফলে আটকে গেছে শ্রমিকদের বেতন। এই অবস্থা থেকে কবে মুক্তি মিলবে সেটি ভেবে এখন দুশ্চিন্তায় আছেন সাবিনা আক্তার।

” আজকের খাবারটা আমার আছে। কালকের কোথায় পাবো বলতে পারিনা,” বলছিলেন সাবিনা আক্তার।

করোনাভাইরাসের সংক্রমণে এখন ইউরোপ-আমেরিকা বিপর্যস্ত। প্রতিদিনই হাজার-হাজার মানুষ এই ভাইরাস সংক্রমণে মারা যাচ্ছে। আক্রান্তের হারও বাড়ছে বেশ অবিশ্বাস্য গতিতে।

এমন অবস্থায় সম্ভাব্য অর্থনৈতিক সংকটের মুখে দাঁড়িয়ে আছে ইউরোপ আর আমেরিকা।

স্বভাবতই এটি পুরো বিশ্বের মতো বাংলাদেশকেও প্রভাবিত করবে। সে লক্ষণ এরই মধ্যে বেশ স্পষ্ট হয়ে উঠেছে। বাংলাদেশের মোট রপ্তানি আয়ের ৮৩ শতাংশ আসে গার্মেন্টস শিল্প থেকে।

বর্তমানে ৩০ বিলিয়ন ডলারের বেশি রপ্তানি করা হয়। বাংলাদেশে তৈরি পোশাক কারখানার মালিকদের সংগঠন বা বিজিএমইএ বলছে এখন পর্যন্ত বিদেশী ক্রেতারা তিন বিলিয়ন ডলারের অর্ডার বাতিল করেছে যাতে প্রায় ২০ লাখের বেশি শ্রমিক ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে।

বিজিএমইএ সভাপতি রুবানা হক বিবিসি বাংলাকে বলছিলেন, “কোন ক্রেতাই এখন শার্ট-প্যান্ট কিনবে না। কিনবে খাবার অষুধ।”

এমন পরিস্থিতিতে সংকট আরো গভীর হওয়ার আশংকা দেখছেন অনেক গার্মেন্টস মালিক।রুবানা হক বলেন, এ সংকট থেকে বের হয়ে আসার জন্য আন্তর্জাতিক ব্র্যান্ডগুলোকে ভূমিকা রাখতে হবে।বাংলাদেশের তৈরি পোশাকের বাজার মূলত ইউরোপ এবং আমেরিকা কেন্দ্রীক। কিন্তু করোভাইরাসের প্রাদুর্ভাবের কারণে সেসব দেশের বড় ব্যান্ডগুলো তাদের অর্ডার বাতিল কিংবা স্থগিত করেছে।বাংলাদেশের তৈরি পোশাকের বাজার মূলত ইউরোপ এবং আমেরিকা কেন্দ্রীক। কিন্তু করোভাইরাসের প্রাদুর্ভাবের কারণে সেসব দেশের বড় ব্যান্ডগুলো তাদের অর্ডার বাতিল কিংবা স্থগিত করেছে।যুক্তরাজ্য-ভিত্তিক প্রাইমার্ক এক বিবৃতিতে জানিয়েছে তারা ব্রিটেন, ইটালি, ফ্রান্স, স্পেন এবং অস্ট্রিয়াতে তাদের সব স্টোর অনিদ্দির্ষ্টকালের জন্য বন্ধ থাকবে। শুধু ব্রিটেনজুড়ে তাদের প্রায় ২০০টি স্টোর রয়েছে।আরেকটি নামকরা ব্র্যান্ড জারা বিশ্বজুড়ে তাদের প্রায় চার হাজার স্টোর বন্ধ রেখেছে করোনাভাইরাস সংক্রমণের কারণে।বর্তমানে ৩০ বিলিয়ন ডলারের বেশি রপ্তানি করা হয়। বাংলাদেশে তৈরি পোশাক কারখানার মালিকদের সংগঠন বা বিজিএমইএ বলছে এখন পর্যন্ত বিদেশী ক্রেতারা তিন বিলিয়ন ডলারের অর্ডার বাতিল করেছে যাতে প্রায় ২০ লাখের বেশি শ্রমিক ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে।বিজিএমইএ সভাপতি রুবানা হক বিবিসি বাংলাকে বলছিলেন, “কোন ক্রেতাই এখন শার্ট-প্যান্ট কিনবে না। কিনবে খাবার অষুধ।”

এমন পরিস্থিতিতে সংকট আরো গভীর হওয়ার আশংকা দেখছেন অনেক গার্মেন্টস মালিক।রুবানা হক বলেন, এ সংকট থেকে বের হয়ে আসার জন্য আন্তর্জাতিক ব্র্যান্ডগুলোকে ভূমিকা রাখতে হবে।বাংলাদেশের তৈরি পোশাকের বাজার মূলত ইউরোপ এবং আমেরিকা কেন্দ্রীক। কিন্তু করোভাইরাসের প্রাদুর্ভাবের কারণে সেসব দেশের বড় ব্যান্ডগুলো তাদের অর্ডার বাতিল কিংবা স্থগিত করেছে।যুক্তরাজ্য-ভিত্তিক প্রাইমার্ক এক বিবৃতিতে জানিয়েছে তারা ব্রিটেন, ইটালি, ফ্রান্স, স্পেন এবং অস্ট্রিয়াতে তাদের সব স্টোর অনিদ্দির্ষ্টকালের জন্য বন্ধ থাকবে। শুধু ব্রিটেনজুড়ে তাদের প্রায় ২০০টি স্টোর রয়েছে।আরেকটি নামকরা ব্র্যান্ড জারা বিশ্বজুড়ে তাদের প্রায় চার হাজার স্টোর বন্ধ রেখেছে করোনাভাইরাস সংক্রমণের কারণে।

সুত্রঃ বিবিসি বাংলা

Tags:

এ বিভাগের আরো কিছু সংবাদ

মন্তব্য

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *