করোনার প্রভাবে এপার্টমেন্ট ভাড়া কমেছে সিডনির মত বড় শহরগুলিতে!

করোনা অতিমারির ধাক্কায় ব্যক্তি থেকে রাষ্ট্রের অর্থনৈতিক অবস্থা অনেকটাই ধরাশায়ী। ধনী দরিদ্র নির্বিশেষে প্রায় সবগুলো দেশই এই ভাইরাসের আক্রমণে ক্ষতির সম্মুখীন হয়েছে। আর এর ফলে সিডনি, নিউইয়র্ক, লন্ডন, টরন্টোর মতো বিশ্বের বৃহৎ অর্থনৈতিক কেন্দ্র ও ধনী শহরগুলোয় অ্যাপার্টমেন্ট ভাড়া উল্লেখযোগ্য হারে কমছে।

অ্যাপার্টমেন্টের চাহিদা বাড়িয়ে থাকেন মূলত বিদেশী শিক্ষার্থীরা, যারা করোনা মহামারীর কারণে নিজ দেশে আটকা পড়ে আছেন। এছাড়া রিয়েল এস্টেটের সবচেয়ে উল্লেখযোগ্য গ্রাহক দল হলো তরুণ ভাড়াটিয়া। তারা এখন আর আগের মতো ভাড়া দিয়ে অ্যাপার্টমেন্টে থাকার মতো অবস্থায় নেই।

অ্যাপার্টমেন্ট কিংবা বাড়ির মালিকের সঙ্গে ভাড়াটিয়ার ক্ষমতায় ভারসাম্য এসেছে। প্রপার্টি খাতের তথ্য সরবরাহকারী প্রতিষ্ঠান ‘কোরলজিক ইনকরপোরেশন’-এর এশিয়া প্যাসিফিক অঞ্চলের প্রধান টিম ললেস বলেন, ‘এ মুহূর্তে যদি কম দামের ব্যাপারে দরকষাকষি করতে না পারেন, তবে আপনি বোকা। এখন সরবরাহ অনেক বেশি, কিন্তু ভাড়াটিয়ার সংখ্যায় অনেক পতন হয়েছে।’

২৬ বছর বয়সী ক্রিস্টিনা চুং এ সুযোগটাই নিয়েছেন। সিডনি সিটি সেন্টার থেকে ১০ কিলোমিটার দূরবর্তী অভিজাত এনমোর এলাকায় অন্য তিনজনের সঙ্গে একটি বাসা ভাগাভাগি করেন তিনি। কিন্তু দরকষাকষি করে ভাড়া আগের চেয়ে ৯ শতাংশ কমাতে সমর্থ হয়েছেন তিনি। সপ্তাহে ৮৯৫ অস্ট্রেলিয়ান ডলারের জায়গায় এখন তাকে দিতে হয় ৮১০ ডলার। ভাড়া কমানো নিয়ে চুং বলেন, ‘চলতি ইজারা শেষে আমি আরেকবার ভাড়া কমানোর জন্য চাপ দেব। কারণ বাজার তো বদলে গেছে।’

Tags:

এ বিভাগের আরো কিছু সংবাদ

মন্তব্য

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *