এই নির্বাচন, মোহরা ৫নং ওয়ার্ডের ভাগ্য পরিবর্তনের নির্বাচন!

নির্বাচন অতি সন্নিকটে, যারা পেশিশক্তিও টাকা প্রদর্শন করবে, তাদের বয়কট করুন।সৎ,যোগ্য লোককে ভোট দিন।

মোহরায় যতটুক উন্নয়ন চোখে পড়েছে তার বেশিরভাগই সিডিএ কর্তৃক সম্পন্ন হয়েছে।এই খানে বিরোধী দলীয় কাউন্সিলর কে দোষ দেয়া ঠিক হবেনা ৷সরকার দলীয় জনপ্রতিনিধি না থাকলে এলাকার কাংখিত উন্নয়ন হয়না। সরকার উন্নয়নের জন্য প্রয়োজনীয় অর্থ বরাদ্দ দিচ্ছেন, কিন্তু স্থানীয় জনপ্রতিনিধি যদি সরকারের সাথে বা প্রসাশনের সাথে দেনদরবার করার মত অবস্থানে না থাকেন সে ক্ষেত্রে এলাকার কাংখিত উন্নয়ন সম্ভব নয়।কারণ, স্রোতের বিপরীতে কখনো উন্নয়ন আশা করা যায় না।আপনারা ১০ বছর দেখেছেন ,সঠিক জনপ্রতিনিধি নির্বাচন করতে ব্যার্থ হলে আগামী ১০০ বছরেও হয়তো এই এলাকার(মোহরার) কাংখিত উন্নয়ন হবে না ।এর অর্থ এই না যে,বিগত মেয়াদে যিনি কাউন্সিলর ছিলেন তিনি খারাপ মানুষ৷ আসলে অনেক দিক থেকে হাত পা বাঁধা থাকতে পারে । ৫ নং ওয়ার্ড এর মানুষ শিক্ষিত এবং বুদ্ধিমান ,আশা করি নিজেদের ভালো মন্দ বোঝার যথেষ্ট জ্ঞান এবং সচেতনতা নিজেদের আছে। ৪১ টা ওয়ার্ড এর মধ্যে মোহরা সব চেয়ে বেশি অবহেলিত,অথচ এই মোহরা উত্তর এবং দক্ষিণের প্রবেশ পথ৷ সুতরাং সব চেয়ে বেশি নজর দেয়া উচিত ছিল এই ওয়ার্ডে। মোহরার নির্বাচন এখন আর সরকারি আর বিরোধী দলের মধ্যে সীমাবদ্ধ নাই৷ এই মুহূর্তে সবার উচিত ধর্ম বর্ণ ,দল মত নির্বিশেষে ঐকবদ্ধ হয়ে মোহরাকে বিষাক্ত ছোবল থেকে বাঁচানো৷ এই সম্ভবনাময়ী ওয়ার্ডটা কে আধুনিক এবং চট্টগ্রামের সেরা ওয়ার্ড হিসেবে গড়ে তোলা।সেই ক্ষেত্রে এইবারের বাংলাদেশ আওয়ামী লীগ মনোনীত প্রার্থীর মত যোগ্য ও উপযুক্ত প্রার্থী হয়তো ভবিষ্যতে আর না ও আসতে পারে।তাই কাজী নরুল আমিন(মামুন) কে ঘুড়ি প্রতীকে ভোট দিয়ে নির্বাচিত করাটায় বুদ্ধিমানের কাজ নয় কি?????

এটা খুবই সহজ সমীকরণ, সরকার দলীয় জনপ্রতিনিধি থাকলেই এলকার কাংখিত উন্নয়ন সহজ, হয়তো স্বার্থপরের মতো কথা বলছি , কিন্তু সবাই একটু ঠান্ডা মাথায় হিসাব নিকাশ করলেই সব কিছু মিলে যাবে। আমাদের উচিৎ কাঁঠাল গাছে কাঁঠাল আশা করা, আম গাছে না। এখন সিদ্ধান্ত আপনাদের৷
কোরোনার ভয়ে ঘরে বসে থাকা মানুষকে আবার নির্বাচিত করবেন, নাকি করোনা জয়ে নিজেকে উৎসর্গ করা মানুষটা কে বেছে নিবেন?? আমার বিশ্বাস , জনগণ সুযোগ পেলে ব্যালটের মাধ্যমে উপযুক্ত জবাব দেবে।অস্তিত্ব রক্ষা করাটা এই মুহূর্তে মোহরার জন্য অনেকটা ফরজ হয়ে গেছে৷ পিঠ অনেকটা দেয়ালে ঠেকে আছে । মোহরাবাসীর জন্য অন্য কোনো পথ খোলা নাই, অতএব আপনাদের ভাগ্য আপনাদেরকেই বদলাতে হবে। আপনার ভোটটি হবে ওয়ার্ড উন্নয়নের ভোট, আর এই উন্নয়নের জন্য সরকারদলীয় প্রার্থী অর্থাৎ ঘুড়ি মার্কায় একবার আস্থা রাখতে পারেন।
এর বাইরেও কিছু মানুষ থাকবে তারা কখনো কোনো দল অথবা এলাকার উন্নয়ন চান না, তারা ২ টাকায় বেঁচা কেনা হতেই পারে৷ কিন্তু বেশিরভাগ মানুষ চায় এলাকার উন্নয়ন ও বৃহত্তর স্বার্থে সবাইকে এক হতে হবে। শৈশবে শুনেছিলাম মোহরা একটি আদর্শ এলাকা, আর এখন শুনি মাদক আর চাঁদাবাজদের স্বর্গ রাজ্য ! আশা করছি খুব শীগ্রই আমরা আমাদের আদর্শ ,ঐতিহ্য এবং সংস্কৃতি ফিরে পাবো। দরকার শুধু একজন সৎ ,পরিশ্রমী এবং যোগ্য জনপ্রতিনিধি।আশা করছি এই বার ৫ নং ওয়ার্ডের মানুষ আর ভুল করবে না।

কাজী আরমান
মোহরা ,চট্টগ্রাম

Categories:মতামত
Tags:

এ বিভাগের আরো কিছু সংবাদ

মন্তব্য

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *