ইতালিতে নাগরিকত্ব আইন শিথিল প্রবাসীদের জন্য সহজ হচ্ছে নাগরিকত্ব পাওয়া

কর্মসংস্থানের জন্য বিশ্বের বিভিন্ন দেশে পাড়ি জমান অনেকে। বাংলাদেশীরাও পিছিয়ে নেই এই প্রতিযোগিতায়। বৈধ-অবৈধ ভাবে অনেকেই বিদেশের উদ্দেশ্যে পাড়ি জমান। বহু দিন বাসবাস সহ সৎ কর্মকান্ডের জন্য প্রবাসীরা পেয়ে থাকে অনেক সম্মাননা এবং দেশের নাগরিকত্ব। ইউরোপ দেশ গুলোতে নাগরিকত্ব পাওয়ার জন্য উন্মুক হয়ে থাকে অনেকে।সহজ করা হলো ইতালির নাগরিকত্ব পাওয়া। নাগরিকত্ব গ্রহণের জন্য চার বছর অপেক্ষায় থাকার পরিবর্তে সময় কমিয়ে দুই বছর করা হয়েছে। গত ৩ অক্টোবর বিষয়টি ইতালির আইন সভা (কামরা) সংবিধান সংস্কার বিষয়ক কমিশনের কাছে উত্থাপন করা হয়েছে। শিগগিরই গেজেট আকারে প্রকাশ করা হবে বলে জানা গেছে।বিশ্বের শক্তিশালী পাসপোর্টের তালিকায় ইতালির বর্তমান অবস্থান তৃতীয়। যৌথভাবে প্রথম অবস্থানে রয়েছে জাপান ও সিঙ্গাপুর। আর যৌথভাবে দ্বিতীয় অবস্থানে রয়েছে দক্ষিণ কোরিয়া, জার্মানি ও ফিনল্যান্ড। ইতালির সঙ্গে তৃতীয় অবস্থানে রয়েছে ডেনমার্ক ও লুক্সেমবার্গ।ইতালির পাসপোর্টধারীরা বর্তমানে ভিসা ছাড়াই ১৮৬টি দেশ ভ্রমণ করতে পারেন। ইতালির ১৯৯২ সালের ৫ ফেব্রুয়ারি পাস হওয়া আইনের ৯১ ধারা মতে, দেশটিতে নাগরিকত্ব পেতে হলে আবেদনের পর দুই বছর বা ৭৩০ দিন অপেক্ষা করতে হতো। যেকোনো বিদেশি নাগরিক টানা ১০ বছর ইতালিতে অবস্থানের পর আবেদন করতে পারেন। কিন্তু গত বছরের ডিসেম্বরে ইতালির স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী মাতায়ো সালভিনি এই সময় পরিবর্তন করে ২ বছরের জায়গায় ৪ বছর করেন। ফলে প্রবাসীদের জন্য ইতালির নাগরিকত্ব কঠিন হয়ে যায় এবং অপেক্ষার সময় দুই বছর বেড়ে যায়।বর্তমান সরকার ক্ষমতায় আসার পরপরই ইতালিয়ান নাগরিকত্ব সংস্কার আইনে সালভিনি কর্তৃক অনুমোদিত প্রধান অংশগুলো সংশোধনের উদ্যোগ নেয়া হয়। গত ২৯ সেপ্টেম্বর এ বিষয়ে প্রাথমিক পদক্ষেপ নেয়া হয় এবং ৩ অক্টোবর ইতালির আইন সভা (কামরা ) সংবিধান সংস্কার বিষয়ক কমিশনের নিকট নতুন নিয়ম সম্পর্কিত প্রস্তাব উত্থাপন করে। বর্তমানে তা চূড়ান্ত গেজেট আকারে প্রকাশের অপেক্ষায় রয়েছে। ইতালির নিয়ম অনুযায়ী, যেকোনো সংশোধনী আইন সভায় উত্থাপিত হওয়ার তারিখ হতে সর্বোচ্চ ১৮০ দিনের মধ্যে তা আইনে পরিণত হয়।
বাংলাদেশের অনেকে বিশ্বের বিভিন্ন দেশে কর্মরত রয়েছে। তারা সম্মানের সাথে কাজ করছে এবং বিভিন্ন দেশের নাগরিকত্ব পাচ্ছে। দেশের অর্থনৈতিক উন্নয়নের ক্ষেত্রেও তারা বিশেষ ভূমিকা পালন করছে। একটি দেশের সফলতা নির্ভার করে দেশের অর্থনৈতিক কর্মকান্ডের উপর। অর্থনৈতিক কর্মকান্ড যত শক্তিশালী হবে দেশের উন্নয়নের মানও বৃদ্ধি পাবে।

১৪-১২-২০১৯ ইং।

Tags:

এ বিভাগের আরো কিছু সংবাদ

মন্তব্য

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *